মধ্যপ্রাচ্যে খাদ্য রপ্তানিতে যুদ্ধের ধাক্কা, কমছে ক্রয় আদেশ
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক খাদ্য রপ্তানি খাতে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য-এর বিভিন্ন দেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠায় আমদানিকারকরা নতুন করে ক্রয় আদেশ দিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে।
রপ্তানিকারকদের মতে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে চাল, গম, ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের অর্ডার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক ক্রেতা আগের চুক্তিগুলো স্থগিত রেখেছে, আবার কেউ কেউ সরবরাহ চেইনের ঝুঁকি বিবেচনা করে নতুন অর্ডার দিচ্ছে না।

বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে খাদ্যপণ্য পাঠানো দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক খাত। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে জাহাজ চলাচল, বীমা খরচ এবং লজিস্টিক ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক চাপে পড়ছেন।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে রপ্তানি আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। একই সঙ্গে বৈশ্বিক বাজারেও খাদ্যপণ্যের দামের অস্থিরতা বাড়তে পারে।
সরকার সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বিকল্প বাজার খোঁজা এবং রপ্তানি খাতকে সহায়তা দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত খাদ্য রপ্তানিতে এই অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
